ট্রাম্পের নির্দেশে ভেনিজুয়েলার প্রসিডেন্ট মাদূরোকে অপহরণ করল মার্কিন বাহিনীর স্পেশাল টিম ডেলটা ফোর্স



অ্যামেরিকার আগ্রাসন কত ভয়ানক ! অ্যামেরিকা সরাসরি ভেনেজুয়েলার রাজধানীতে আঘাত হেনেছে। ইচ্ছে হলো একটি দেশের প্রেসিডেন্ট কে তুলে নিয়ে গেল। ট্রাম্পের নির্দেশে ভেনিজুয়েলার প্রসিডেন্ট মাদূরোকে অপহরণ করল ব্লাকহকে এসে মার্কিন বাহিনীর স্পেশাল টিম ডেলটা ফোর্স। 

প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে করে নিউইয়র্কে নেওয়া হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থানীয় সময় শনিবার সকালে ফক্স নিউজকে টেলিফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন। এতক্ষণ ট্রাম্পের সংবাদ সম্মেলন দেখছিলাম। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে - ভেনেজুয়েলা তাহলে কারা চালাবে ? 

সে ৩২ দাঁত বের করে হাসতে হাসতে বলেছে,
আমার পেছনে যারা আছে, তাঁরাই ভেনেজুয়ালা শাসন করবে। এরপর তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে - ভেনেজুয়েলা নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কী ?  এইবার সে গম্ভীর হয়ে বলেছে, সেখানে অনেক তেলের খনি আছে। অ্যামেরিকান কোম্পানিগুলো সেখানে যাবে, ব্যবসা করবে। এতে ভেনেজুয়েলার মানুষের উপকার হবে। 

হ্যাঁ, ঠিক পড়েছেন। ঠিক এই কথাগুলোই প্রকাশ্য দিবালোকে পুরো পৃথিবীর সামনে ৩২ দাঁত বের করে হাসতে হাসতে বলেছে অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যারা বাকি দেশগুলোকে গণতন্ত্রের সবক দেয়। তাঁরাই নাকি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে- একটা স্বাধীন দেশ কারা চালাবে ? কীভাবে চলবে ? এরপর নাকি কিউবাতেও যাবার ইচ্ছা আছে !

এবার চিন্তা করেন দেখেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট এসে ঘোষণা করেছে - আমরা ক্রোয়েশিয়া আক্রমণ করেছি। সেখানে আমাদের কোম্পানিগুলো কাজ করবে। এই দেশের মানুষের উন্নতি হবে। 

কিংবা ধরুন চায়নার প্রেসিডেন্ট যদি এই কথা বলে। তখন  ইউরোপ এবং অ্যামেরিকার দেশগুলো গণতন্ত্র যায় যায় বলে আওয়াজ তুলবে। মানবাধিকারের প্রশ্ন তুলবে। আর এখন? সবাই চুপ। প্রথমত, কোরিনা মাচাদোকে নোবেল প্রাইজ দেয়া হলো। এরপর মাদুরোকে ধরে নিয়ে এসেছে। সম্ভবত এখন ওদের পছন্দের মাচাদোকে ক্ষমতায় বসাবে।

সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার ধর্ম একটাই। অর্থ ও ক্ষমতা। এর জন্য ওরা একটা পুরো সভ্যতা ধ্বংস করে দেবে। ওদের কিছুই আসবে যাবে না। সময় থাকতে অ্যামেরিকার বলয় থেকে বের হন। ওরা ব্যবসার কথা বলে দেশগুলোতে ঢুকবে। সব শুষে নেবে। এরপর ফিরেও তাকাবে না। ইউক্রেনের জেলেনেস্কিকে এখন দেশে দেশে ভিক্ষা করতে হচ্ছে। 

পরিশেষে, অ্যামেরিকা যার বন্ধু হয় তাঁর শত্রুর অভাব হয় না।

Post a Comment

0 Comments